বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছেন,
দিল্লিতে যে দলই মতায় আসুক, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের েেত্র তার প্রভাব পড়বে
না। কথাটা এক দিক থেকে যথেষ্ট সত্যি। কারণ, ভারতের আপন স্বার্থে যে দলই
মতায় আসুক, তার ল্য হবে বাংলাদেশকে তার নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাওয়া। তাকে
ভারত ছাড়া আর কোনো শক্তির কব্জায় যেতে না দেয়া। তাই মনে করা চলে, দিল্লিতে
যারাই মতায় আসুক না কেন, বাংলা-ভারতের সম্পর্কের তাতে খুব একটা হের-ফের
হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু তবু মানুষে মানুষে পার্থক্য থাকে। দিল্লিতে
মোরারজি দেশাই মাত্র কিছু দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন। তখন বাংলাদেশ গংগার
পানি পেতে পেরেছিল এখনকার চেয়ে কিছুটা বেশি। ভারতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে
বয়ে আসছে অনেক নদী। বাংলাদেশ ভাটির দেশ। ভারত নদীর পানি না দিতে চাইলে
শুকনো মওসুমে বাংলাদেশে আবাদের তি হতে বাধ্য। বাংলাদেশের সাথে ভারতের
সম্পর্ক উন্নয়নের েেত্র একটা বড় গুণক (Factor) হয়ে উঠেছে নদীর পানি। ভারতের
নির্বাচনে কোন দল জিতবে, আমরা তা বলতে পারি না। তবে কংগ্রেস মতায় থাকলে যে
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের মতায় থাকা অনেক সহজ সাধ্য হবে, সেটা
অনুমান করতে কষ্ট হয় না। ভারতে নির্বাচন হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত
বাস্তব কারণেই ভাবছে বিষয়টি নিয়ে। সম্ভবত তাই বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের
হাইমকিশনারকে বলতে শোনা গেল, দিল্লিতে যে দলই মতায় আসুক, তাতে বাংলাদেশের
ভাবিত হওয়ার কিছুই নেই। কিন্তু একটি দেশের কূটনীতিকের কি আর একটি দেশে
অবস্থানের সময় এরকম মন্তব্য করা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে? যেটা হয়ে
উঠতে চাচ্ছে একটি প্রশ্ন।
নরেন্দ্র মোদি বলছেন, আজকের ভারত আসলে পরিচালিত হচ্ছে সোনিয়া গান্ধীকে দিয়ে। সোনিয়া গান্ধী দেশের কথা ভাবছেন না। তিনি রাজনীতি করছেন তার ছেলে রাহুলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে। মোদির বক্তব্য, ভারতে এই যে গণতন্ত্রের আড়ালে গড়ে উঠতে চাচ্ছে একটি পরিবারের শসন, তিনি এর বিরোধী। জওয়াহেরলাল নেহরু নিজেকে দাবি করতেন একজন খাঁটি উদার গণতন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু তিনি করে যান তার একমাত্র সন্তান ইন্দিরা গান্ধীর মতা পাবার ত্রে। ঘাতকের হাতে ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর মতায় আসেন ছেলে রাজীব গান্ধী। মায়ের মতো ঘাতকের হাতে তারও মৃত্যু ঘটে। এবং মৃত্যুর পর কার্যত মতায় আসেন তার স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর সোনিয়া চাচ্ছেন তার ছেলে রাহুলকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী করতে। এভাবে ভারতে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে একটি বিশেষ বংশের রাজনীতি, যা ভারতের গণতন্ত্রকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে পুরাকালের স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের দিকে। ভারতে উদার গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে এই বংশকেন্দ্রিক রাজনীতির গতিরোধ করতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে ভারতে কোন দল মতায় আসতে যাচ্ছে আমরা তা এখনো অনুমান করতে পারছি না। তবে কংগ্রেস হারবার একটা অর্থ দাঁড়াবে, ভারতে বংশের রাজনীতির প্রবণতা কমা। যেটা আমাদেরও কাম্য। কারণ, ভারতে বংশের রাজনীতি কমে যাওয়ার প্রভাব এসে পড়বে বাংলাদেশেরও ওপর। মতাসীনেরা বাংলাদেশেও নিজেদের সন্তানদের মতায় বসাবার কথা না ভেবে, করতে বাধ্য হবেন দেশের কথা ভেবে রাজনীতি। ভারতে কংগ্রেস বলছে, সোনিয়া গান্ধী বিদেশিনী। সংস্কৃতি ও জন্মসূত্রে তিনি ভারতীয় নন। কিন্তু তিনি ভারতের পুত্রবধূ। তাই তাকে সম্মান করতে হবে। কিন্তু সম্মান দেখানো এক জিনিস আর তাকে দেশনেত্রী করে তোলা হলো সম্পূর্ণ আরেক ব্যাপার। সোনিয়াকে নিয়ে কংগ্রেসের মাতামাতি আমাদের চোখেও বেশ কিছুটা বৈসাদৃশ্য ঠেকছে।
ভারতের সমস্যা অনেক। ভারত আসলে ঠিক এক জাতির দেশ নয়। বহু ভাষাভাষী মানুষের দেশ। আর এসব ভাষার বেশির ভাগই হলো খুব উন্নত। কেননা এদের আছে দীর্ঘ দিনের লিখিত সাহিত্য। এরা কেবলই মুখের ভাষা নয়, অনেকে তাই ভারতকে গড়তে চাচ্ছেন একটা আলগা ধরনের ফেডারেশন হিসেবে। কিন্তু কংগ্রেস করছে এই ধারণার বিরোধিতা। এর ফলে ভারতে বাড়তে পারে জাতিসত্তার সঙ্ঘাত। আর বর্তমান ভারত এর ফলে ভেঙে যেতেই পারে। জওয়াহেরলাল নেহরু মনে করতেন, হিন্দি ভাষার মাধ্যমে ভারতে এক শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ জাতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। কিন্তু এখন আর তা মনে হচ্ছে না। কিন্তু অদূরভবিষ্যতে ভারতকে তার জাতিসত্তা সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট হতে হবে।
বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার চাচ্ছে, ভারতে কংগ্রেস সরকার টিকুক। কিন্তু বাংলাদেশে সরকারের ইচ্ছা দিয়ে ভারতের জনমত গঠিত হবে না। ভারতের প্রয়োজন দিয়েই গঠিত হবে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের জনমত। ভারত একটি ছোট দেশ নয়। এর সব অঞ্চলের ইতিহাসও নয় এক। এক নয় মানবধারা। এসব বাস্তবতা এখন আগের তুলনায় অনেক প্রকট লাভ করছে। ভারতে যে দলই মতায় আসুক, বাংলাদেশকে তাকে স্বীকার করতে হবে। তার সাথে সহযোগিতা করে চলতে হবে আমাদের জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে। তবে আমাদের দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ইতিহাসের ধারা এমন যে, আমাদের কূটনীতিতে ভারত পেতে বাধ্য সর্বোচ্চ বিশেষ বিবেচনা।
ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন সম্পর্কে নানা কথা শোনা যায়। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে যত লোক কাজ করেন, অন্য কোনো দেশের কূটনৈতিক কেন্দ্রে তা করেন না। কেন ভারতের হাইকমিশনে এত লোক কাজ করবে, সেটা নিয়ে উঠছে অনেক প্রশ্ন। আমরা অনেকে মনে করি যে, ভারতীয় হাইকমিশনে কর্মচারীর সংখ্যা অন্য দেশের কূটনৈতিক সংস্থারই অনুরূপ হওয়া উচিত। ভারতের হাইকমিশন থেকে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়, যা পড়ে মনে প্রশ্ন জাগে এটা ভারতের না বাংলাদেশের পত্রিকা। এই পত্রিকা বাংলাদেশের জন্য হতে পারছে বেশ কিছটিা তির কারণ। বিরাট দেশ ভারত। ভারতের সমস্যা অনেক।
ভারতের মানুষ এসব সমস্যার সমাধান করে অগ্রসর হতে চাচ্ছে। আমরা ভারত বিচিত্রা পড়ে যদি এই অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হতে পারি, তবে সেটা আসতে পারে আমাদেরও দেশ গড়ার কাছে। কিন্তু ভারত বিচিত্রায় ভারতের অগ্রগতি সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ থাকে না। বিশেষ একটি উদ্দেশ্য নিয়েই চলেছে পত্রিকাটির প্রকাশনা। এ প্রসঙ্গে আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
গত বছর শাহবাগে যখন তথাকথিত তরুণ প্রজন্মের সমাবেশ হচ্ছিল, তখন এক ভারতীয় মন্ত্রী এসেছিলেন আমাদের দেশে। যতদূর মনে পড়ছে, তিনি আমাদের তথিত তরুণ প্রজন্মকে করেছিলেন প্রশংসা। এরকম প্রশংসা একটা দেশের ঘরোয়া রাজনীতিতে হস্তেেপর সামিল এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। কিন্তু বাংলাদেশের েেত্র ভারত যেন মানতে চাচ্ছে না স্বীকৃত কূটনৈতিক শিষ্টাচারসমূহ সংরণ করতে। এটা দুঃখজনক। অন্য দিকে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি বলেছে, বাংলাদেশ ভারতে স্থিতিশীল সরকার দেখতে চান। এরকম মন্তব্যও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। কারণ, ভারতের জনগণ বোঝেন, তারা কেমন সরকার চান। এটা তাদের নিজস্ব রাজনীতির ব্যাপার। আমাদের এতে সরকারিভাবে মন্তব্য করা সাজে না। যদিও দেশের পত্রপত্রিকা বেসরকারিভাবে অনেক কিছুই পারে বলতে।
নরেন্দ্র মোদি বলছেন, আজকের ভারত আসলে পরিচালিত হচ্ছে সোনিয়া গান্ধীকে দিয়ে। সোনিয়া গান্ধী দেশের কথা ভাবছেন না। তিনি রাজনীতি করছেন তার ছেলে রাহুলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে। মোদির বক্তব্য, ভারতে এই যে গণতন্ত্রের আড়ালে গড়ে উঠতে চাচ্ছে একটি পরিবারের শসন, তিনি এর বিরোধী। জওয়াহেরলাল নেহরু নিজেকে দাবি করতেন একজন খাঁটি উদার গণতন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু তিনি করে যান তার একমাত্র সন্তান ইন্দিরা গান্ধীর মতা পাবার ত্রে। ঘাতকের হাতে ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর মতায় আসেন ছেলে রাজীব গান্ধী। মায়ের মতো ঘাতকের হাতে তারও মৃত্যু ঘটে। এবং মৃত্যুর পর কার্যত মতায় আসেন তার স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর সোনিয়া চাচ্ছেন তার ছেলে রাহুলকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী করতে। এভাবে ভারতে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে একটি বিশেষ বংশের রাজনীতি, যা ভারতের গণতন্ত্রকে ঠেলে দিতে চাচ্ছে পুরাকালের স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের দিকে। ভারতে উদার গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে এই বংশকেন্দ্রিক রাজনীতির গতিরোধ করতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে ভারতে কোন দল মতায় আসতে যাচ্ছে আমরা তা এখনো অনুমান করতে পারছি না। তবে কংগ্রেস হারবার একটা অর্থ দাঁড়াবে, ভারতে বংশের রাজনীতির প্রবণতা কমা। যেটা আমাদেরও কাম্য। কারণ, ভারতে বংশের রাজনীতি কমে যাওয়ার প্রভাব এসে পড়বে বাংলাদেশেরও ওপর। মতাসীনেরা বাংলাদেশেও নিজেদের সন্তানদের মতায় বসাবার কথা না ভেবে, করতে বাধ্য হবেন দেশের কথা ভেবে রাজনীতি। ভারতে কংগ্রেস বলছে, সোনিয়া গান্ধী বিদেশিনী। সংস্কৃতি ও জন্মসূত্রে তিনি ভারতীয় নন। কিন্তু তিনি ভারতের পুত্রবধূ। তাই তাকে সম্মান করতে হবে। কিন্তু সম্মান দেখানো এক জিনিস আর তাকে দেশনেত্রী করে তোলা হলো সম্পূর্ণ আরেক ব্যাপার। সোনিয়াকে নিয়ে কংগ্রেসের মাতামাতি আমাদের চোখেও বেশ কিছুটা বৈসাদৃশ্য ঠেকছে।
ভারতের সমস্যা অনেক। ভারত আসলে ঠিক এক জাতির দেশ নয়। বহু ভাষাভাষী মানুষের দেশ। আর এসব ভাষার বেশির ভাগই হলো খুব উন্নত। কেননা এদের আছে দীর্ঘ দিনের লিখিত সাহিত্য। এরা কেবলই মুখের ভাষা নয়, অনেকে তাই ভারতকে গড়তে চাচ্ছেন একটা আলগা ধরনের ফেডারেশন হিসেবে। কিন্তু কংগ্রেস করছে এই ধারণার বিরোধিতা। এর ফলে ভারতে বাড়তে পারে জাতিসত্তার সঙ্ঘাত। আর বর্তমান ভারত এর ফলে ভেঙে যেতেই পারে। জওয়াহেরলাল নেহরু মনে করতেন, হিন্দি ভাষার মাধ্যমে ভারতে এক শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ জাতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। কিন্তু এখন আর তা মনে হচ্ছে না। কিন্তু অদূরভবিষ্যতে ভারতকে তার জাতিসত্তা সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট হতে হবে।
বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার চাচ্ছে, ভারতে কংগ্রেস সরকার টিকুক। কিন্তু বাংলাদেশে সরকারের ইচ্ছা দিয়ে ভারতের জনমত গঠিত হবে না। ভারতের প্রয়োজন দিয়েই গঠিত হবে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের জনমত। ভারত একটি ছোট দেশ নয়। এর সব অঞ্চলের ইতিহাসও নয় এক। এক নয় মানবধারা। এসব বাস্তবতা এখন আগের তুলনায় অনেক প্রকট লাভ করছে। ভারতে যে দলই মতায় আসুক, বাংলাদেশকে তাকে স্বীকার করতে হবে। তার সাথে সহযোগিতা করে চলতে হবে আমাদের জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে। তবে আমাদের দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ইতিহাসের ধারা এমন যে, আমাদের কূটনীতিতে ভারত পেতে বাধ্য সর্বোচ্চ বিশেষ বিবেচনা।
ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন সম্পর্কে নানা কথা শোনা যায়। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে যত লোক কাজ করেন, অন্য কোনো দেশের কূটনৈতিক কেন্দ্রে তা করেন না। কেন ভারতের হাইকমিশনে এত লোক কাজ করবে, সেটা নিয়ে উঠছে অনেক প্রশ্ন। আমরা অনেকে মনে করি যে, ভারতীয় হাইকমিশনে কর্মচারীর সংখ্যা অন্য দেশের কূটনৈতিক সংস্থারই অনুরূপ হওয়া উচিত। ভারতের হাইকমিশন থেকে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়, যা পড়ে মনে প্রশ্ন জাগে এটা ভারতের না বাংলাদেশের পত্রিকা। এই পত্রিকা বাংলাদেশের জন্য হতে পারছে বেশ কিছটিা তির কারণ। বিরাট দেশ ভারত। ভারতের সমস্যা অনেক।
ভারতের মানুষ এসব সমস্যার সমাধান করে অগ্রসর হতে চাচ্ছে। আমরা ভারত বিচিত্রা পড়ে যদি এই অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হতে পারি, তবে সেটা আসতে পারে আমাদেরও দেশ গড়ার কাছে। কিন্তু ভারত বিচিত্রায় ভারতের অগ্রগতি সম্পর্কে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ থাকে না। বিশেষ একটি উদ্দেশ্য নিয়েই চলেছে পত্রিকাটির প্রকাশনা। এ প্রসঙ্গে আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
গত বছর শাহবাগে যখন তথাকথিত তরুণ প্রজন্মের সমাবেশ হচ্ছিল, তখন এক ভারতীয় মন্ত্রী এসেছিলেন আমাদের দেশে। যতদূর মনে পড়ছে, তিনি আমাদের তথিত তরুণ প্রজন্মকে করেছিলেন প্রশংসা। এরকম প্রশংসা একটা দেশের ঘরোয়া রাজনীতিতে হস্তেেপর সামিল এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। কিন্তু বাংলাদেশের েেত্র ভারত যেন মানতে চাচ্ছে না স্বীকৃত কূটনৈতিক শিষ্টাচারসমূহ সংরণ করতে। এটা দুঃখজনক। অন্য দিকে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি বলেছে, বাংলাদেশ ভারতে স্থিতিশীল সরকার দেখতে চান। এরকম মন্তব্যও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। কারণ, ভারতের জনগণ বোঝেন, তারা কেমন সরকার চান। এটা তাদের নিজস্ব রাজনীতির ব্যাপার। আমাদের এতে সরকারিভাবে মন্তব্য করা সাজে না। যদিও দেশের পত্রপত্রিকা বেসরকারিভাবে অনেক কিছুই পারে বলতে।
No comments:
Post a Comment