হাসিনার নয় দফা ও আন্দোলনের ধরন

বোঝা যাচ্ছে আন্দোলনের একটা বিরতি ঘটেছে। খালেদা জিয়া ১৫ তারিখে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ২০ জানুয়ারি গণসমাবেশ ও ২৯ তারিখে কালোপতাকা মিছিল। অন্যদিকে খবর খুব দ্রুত ঘটছে। অনেক খবর তাদের প্রিন্টিং প্রেস সমেত সিলগালাও হয়ে যাচ্ছে। তিনটি বিষয় খবর হিসাবে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি বিরতির ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়ার সাংবাদিক সম্মেলন এবং আন্দোলনের সাম্প্রতিক গতিপ্রকৃতি; এর একটা নির্মোহ বিচার দরকার। দ্বিতীয় খবর হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পার্লামেন্টে বাংলাদেশ নিয়ে বিতর্ক; গণআন্দোলনবিদ্বেষী গণমাধ্যমগুলোর বিকৃত ব্যাখ্যার বাইরে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে আন্তর্জাতিক জনমত ঠিকভাবে বোঝা দরকার।
এবং তৃতীয়টি ‘গুজব’। বাস্তবতার কারণে কোন কোন ঘটনার সত্য-মিথ্যার বিচার রাজনীতিতে গৌণ হয়ে যায়। গুজবই নির্ধারক হয়ে ওঠে। সাতীরায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ সত্য কি মিথ্যা সেই তর্ক এখন গৌণ। মতাসীনদের কীসের এতো ভয় যে গুজবকেও সিলগালা করে দিতে হবে? সাংবাদিকদের অফিস থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কারাগারে পুরতে হবে?
শুরুতে সাম্প্রতিক আন্দোলনের গতিপ্রকৃতির বিচারের মধ্যে এ লেখাটিকে সীমিত রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বাংলাদেশে গণআন্দোলনের ইতিহাস ও আন্দোলনের ধরন সম্পর্কে খানিক ধারণা না নিলে আন্দোলনের বিচার একদেশদর্শী হয়ে যাবার ভয় রয়েছে। অন্যদিকে গণবিরোধী ফ্যাসিস্ট শক্তি গণআন্দোলনকে শক্তিশালী হতে দেবে না, এটা জানা কথা। একে বিরোধিতা করবার েেত্র তাদের প্রধান মতাদর্শিক ল্য জামায়াত-শিবির ও হেফাজতে ইসলাম। এটা পরিষ্কার যে মাঠ পর্যায়ে গণশক্তির ভিত্তি এখানে। তাহলে আন্দোলনকে গতিশীল করতে হলে গণতান্ত্রিক লড়াই সংগ্রাম ও গণশক্তি পরিগঠনের দিক থকে ইসলামপন্থী আন্দোলনের ভূমিকারও একটি নিরাবেগ ও নির্মোহ পর্যালোচনা দরকার।
আন্দোলনের চরিত্র আর আন্দোলনের নেতৃত্বের চরিত্রকে গুলিয়ে ফেলা নতুন কিছু নয়। অনেকে বিএনপি ও আঠারো দলীয় জোটের শ্রেণি চরিত্র দিয়ে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের লড়াইয়ের চরিত্র মাপেন এবং তার সীমা ও সম্ভাবনা বোঝার চেষ্টা করে পেরেশান হয়ে যান। ফলে বিএনপির ব্যর্থতাকে গণআন্দোলনের ব্যর্থতা বলে ভুল করেন। অন্যদিকে নেতৃত্বে যারা আছেন তাদের ধারণা জনগণের এখন একটাই কাজ : বিএনপিকে মতায় বসানো। যাতে দুর্নীতি ও রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন আগের মতোই চলতে পারে। মতাসীনদের গণমাধ্যমগুলো অবশ্য আন্দোলনকে নিরাশ করবার জন্য বেগম জিয়া কী ভুলটাই না করেছেন সেই কেচ্ছা দিনরাত গেয়ে যাচ্ছে। তাদের হাহাকার হচ্ছে খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগের শর্তে নির্বাচন করলে এখন মতায় থাকতেন। তাদের আশা ছিল মতাসীনদের শর্তে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন এবং বাংলাদেশে সব কিছু আগের মতোই চলতে থাকবে। অথচ সংবিধানের ন্যূনতম সংস্কারও যদি খালেদা করতে চান তাহলে তাঁকে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেতে হবে। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে নির্বাচন করলে সেটা সম্ভব হোত না। নির্বাচন যে সুষ্ঠু হোত না সেটা তো চাুষ সকলেই এখন দেখল। ফলে সংবিধান সংস্কার দূরের কথা, মতায় ফিরে আসাও অসম্ভব হোত। সংস্কার না হলে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভূত সাংবিধানিক কারণে খালেদা জিয়াকে কিভাবে বহন করতে হোত সেটা যারা বুঝতে চান তারা পঞ্চদশ সংশোধনী মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, আশা করি। শেখ হাসিনার অধীনে বেগম জিয়ার নির্বাচনে না যাবার যুক্তি আর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নিজস্ব গতি ও সম্ভাব্য পরিণতি সমান্তরাল নয়। এই টানাপড়েন খালেদা জিয়া যেভাবে বোঝেন তিনি সেভাবেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ও দেবেন। আন্দোলন তিনি কতোটুকু নিয়ে যেতে চান এবং জনগণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের রাজনীতি কী হবে সেটাও নির্ভর করবে তাঁর এই উপলব্ধির ওপর। তেমনি আন্দোলনের মাঠপর্যায়ের কর্মীদেরও নিজেদের মাঠের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝতে হবে জনগণ কী চায়, আর সেই প্রত্যাশার ভার বইবার মতা বিএনপি ও তার নেতৃত্বাধীন জোটের কতোটুকু। বলা বাহুল্য, আমাদের আগ্রহ ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলনে, তাদের সাহসী সংগ্রামে। আমাদের লেখালিখিও সেই আলোকেই পাঠ করলে খুশি হবো।
বলে রাখা দরকার, আমরা দাবি করি না জামায়াতে ইসলাম কিম্বা হেফাজতে ইসলাম সমালোচনার ঊর্ধ্বে, অবশ্যই নয়; সাধারণভাবে ইসলামপন্থী ধর্মান্দোলন ও রাজনীতির পর্যালোচনা বাংলাদেশে খুবই জরুরি, কিন্তু ফ্যাসিস্টরা তাদের মতাদর্শ ও গণবিরোধী ভূমিকা আড়াল করবার জন্যই নরম ল্যবস্তু হিসাবে বারবার ইসলামকে সামনে হাজির করে। একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার জন্য এটা সবচেয়ে সস্তা ও সহজ কাজ। অথচ একটি ২০/২৫ বছরের যুবক, যে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ দেখে নি, সেই ছেলেটি কী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে গুলির সামনে বুক পেতে দিয়ে শহিদ হয় কিম্বা শহিদ হতে চায়, সেই দিকগুলো আমরা কখনই বোঝার চেষ্টা করি নি। যারা তাদের আদর্শ ও সংকল্পের জন্য জীবন দিতে রাজি থাকে, তাদের গুলি করে দমানো যায় না। সেই আদর্শ বা সংকল্প যতোই ভুল হোক তাকে সঠিক আদর্শ ও আরো পরিণত সংকল্প দিয়েই মোকাবিলা করতে হয়। গুলি আদর্শের বিকল্প হতে পারে নাÑ এই সহজ সত্য যতো তাড়াতাড়ি আমরা বুঝবো ও নির্মোহভাবে বাংলাদেশের ইসলামপন্থী আন্দোলন পর্যালোচনা করতে শিখব, ততো তাড়াতাড়ি এই ভয়াবহ পরিস্থিতি আমরা অতিক্রম করে যেতে পারব।
আমরা দেখছি যে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও দমনপীড়নের প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে শুধুমাত্র আন্দোলনের ধরন সমালোচনার প্রধান বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মতাদর্শিক বিভাজন দিয়ে আন্দোলনকে বিভক্ত করবার জন্য যেমন জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলাম ফ্যাসিস্টদের টার্গেট, ঠিক তেমনি আন্দোলনের ধরণকেও তারা আক্রমণের প্রধান ল্যবস্তুতে পরিণত করছে। এটা খুবই ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। ভাবখানা এ রকম যে বাংলাদেশে আন্দোলনের বর্তমান সহিংস ধরন নতুন। অথচ আন্দোলনের বর্তমান ধরন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে। মতাসীনদের রাজনীতি ও তাদের রাজনৈতিক চর্চাকে ভুলে গিয়ে ও বাদ রেখে আন্দোলনের ধরন নিয়ে সমালোচনা চরম অসততা ও কপটতা। আজ তাই শুরুতে একটু পুরানা তথ্য নাড়াচাড়া করব।

‘দেশে এখন কার্যত কোন বৈধ সরকার নেই...’
একটি উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করি। উদ্ধৃতিটি এ রকম :
“দেশবাসী ... সরকারের একদলীয় নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। ... নীলনকশার নির্বাচনের পর মতাসীন ... সরকারের আর কোন আইনগত ও সাংবিধানিক বৈধতা নেই। সরকার এখন অসাংবিধানিক। তাই দেশে এখন কার্যত কোন বৈধ সরকার নেই”
না। এটা খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলন নয়, শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন। সাল ১৯৯৬। বৈধ সরকার নাই, আছেন শুধু রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান, সংবিধানের প্রতীকী উপস্থিতি। শক্তিও অতোটুকুই। শেখ হাসিনা তখনকার রাষ্ট্রপতিকে তাঁর ওপর অর্পিত সাংবিধানিক মতা ব্যবহার করবার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই মতা ব্যবহার করে তিনি একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করবেন, আর ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করবেন। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতিকে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘অবৈধ সরকারকে বরখাস্ত করে নতুন নির্বাচন দিন।’
আমাদের স্মৃতিশক্তি কম। সেটা অপুষ্টি বা আয়োডিনের অভাব থেকে হতে পারে। সেটা ডাক্তার কিম্বা পুষ্টিবিদরা ভালো বুঝবেন। তবে পৃথিবীতে অন্য কোন জনগোষ্ঠির স্মৃতিপদার্থ এতো স্বল্প মনে হয় না। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গে পরে আসি, আরেকটু পেছনে ১৯৮৮ সালে যাই।
বাংলাদেশে ৪র্থ জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়েছিল ৩ মার্চ ১৯৮৮ সালে। তখন গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মতো বাংলাদেশের প্রায় সব কয়টি প্রধান রাজনৈতিক দল নির্বাচন বয়কট করেছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তো ছিলই, এই দুটো দল ছাড়াও নির্বাচন বর্জন করেছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফফর) এবং ওয়ার্কার্স পার্টি। নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫১ আসনে জাতীয় পার্টি জিতেছে বলে দাবি করা হয়। ভোট পড়েছিল সরকারী হিসাবে ৫২.৫০%।
নির্বাচনের দিন বৃহস্পতিবার শেখ হাসিনা সেই সময়ের আটদলীয় জোটের পে সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু ভবনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল পরিষ্কার : সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। তাঁর যুক্তি, জনগণ নির্বাচনে ভোট দেয় নি, ভোট প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ‘নির্বাচন প্রতিরোধ আন্দোলনে’ এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। তার মধ্যে ঢাকায় ৮ জন ও চট্টগ্রামে ২ জন। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে শেখ হাসিনা গর্ব করে বলেছিলেন, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, পাবনা, সিলেট, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, খুলনা, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুরসহ দেশের প্রায় সর্বত্র বহু জায়গায় জনগণ ভোট কেন্দ্র পুড়িয়ে দিয়েছে। ঢাকার আরমানিটোলা, শেরেবাংলা নগর, মিরপুর, মগবাজার, টিএন্ডটি, পল্টন মহিলা কলেজ, গাবতলী, লালবাগ, লেডিস কাব, আজিমপুর, নুরজাহান রোড, ভূতের গলি, গ্রাজুয়েট স্কুল, নবাবপুর, ওয়ারী, সূত্রাপুর, গোলাপবাগ, লালকুঠিসহ নানান জায়গায় জনতা প্রতিরোধ রচনা করে। ব্যাপক সহিংসতা ঘটে। নির্বাচন বানচাল করতে সহিংসতায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দিয়েছিল। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস ও সহিংসতা মোটেও নতুন কিছু নয়।
সেই সময় শেখ হাসিনা কী বলেছিলেন তা আমাদের জন্য এখনও দারুণ শিণীয় হতে পারে। আমি ১৯৮৮ সালের ৪ তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক থেকে টুকছি তাদের তখনকার ভাষার বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে, তাদের সাংবাদিকতার সততার ওপর আস্থা রেখে। তাছাড়া হাতের কাছে ইত্তেফাক আর দৈনিক সংবাদের প্রতিবেদন পেয়েছি, আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন সাংবাদিকের অনুসন্ধানী পরিশ্রমের ফল হিসাবে। পত্রিকার সংবাদ পরখ করবার সময় ও সুযোগ না পেলেও আমি নিশ্চিত এই উদ্ধৃতি প্রামাণ্য। যে কেউই খুঁজে দেখতে পারেন। সেই সময়ের দৈনিক পত্রিকাগুলো থেকে আরো অনেক ইন্টারেস্টিং মালমসলা গবেষণা করে বের করা যেতে পারে।
ইত্তেফাকের রিপোর্ট অনুযায়ী শেখ হাসিনা সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন : “আমরা আগেই বলিয়াছি, একটি গোষ্ঠির স্বার্থরার জন্যই এ নির্বাচনের আয়োজন করা হইয়াছে। দুর্ভাগ্যবশত উন্নয়ন, রাষ্ট্রীয় কাঠামো ও সরকার গঠনে জনগণের কোন ভূমিকা নাই। কোন অবস্থাতেই এ পরিস্থিতি মানিয়া নেওয়া যায় না। তিনি দলীয় নেতা আবদুল মান্নান, বেগম সাজেদা চৌধুরীসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তি এবং বাংলার বাণী, খবর, বিবিসিসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সকল সংবাদপত্র ও সংবাদসংস্থার উপর হইতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান।” তাঁর এই বক্তব্যে যে-পরিস্থিতির তিনি উল্লেখ করেছেন তার সঙ্গে এখনকার অবস্থা আমি সকল বিবেকবান মানুষকে তুলনা করতে বলি। ঠিকই। ‘কোন অবস্থাতেই এ পরিস্থিতি মানিয়া নেওয়া যায় না।’ সেই ১৯৮৮ সালে যেমন তেমনি এখনও। দুই হাজার চৌদ্দ সালেও। (দেখুন, ‘জনগণ এই নির্বাচনে ভোট দেয় নাই’, শেখ হাসিনা; দৈনিক ইত্তেফাক ৪ মার্চ ১৯৮৮)। সাংবাদিক সম্মেলনে অনেকে ছিলেন, তাঁদের মনে থাকার কথা। ড. কামাল হোসেন, আবদুল মমিন, আবদুল জলিল, তোফায়েল আহমেদ, শেখ সেলিম, খ. ম. জাহাঙ্গীর ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত তো সেই সংবাদ সম্মেলনে হাজির ছিলেন। শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের সাী তাঁরাও